সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন

ঘোড়াশাল পৌরসভার কান্ডারি হতে পারেন তুষার

হাজী জাহিদ, নরসিংদী
  • আপডেট : বুধবার, ১৩ অক্টোবর ২০২১, ৪:৫২ pm

ঘোড়াশাল পৌরসভার নৌকা মার্কার মনোনিত প্রার্থী জনপ্রীয়তার শীর্ষে তাই মেয়র হতে পারেন মোঃ আল-মুজাহিদ (তুষার)। আসন্ন ঘোড়াশাল পৌরসভা নির্বাচনের ২ নভেম্বর ভোট হওয়ার তারিখ ঘোষনা করেছেন নির্বাচন কমিশন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি নৌকা মার্কার প্রত্যাশায় নমিনেশন ফরম জমা দিয়ে নৌকার মার্কার প্রতিক লাভ করেন।

আওয়ামিলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী বোর্ড আসন্ন ঘোড়াশাল পৌরসভা নির্বাচনে তাকে নৌকা প্রতীক বরাদ্ধ দেন। স্বরজমিনে ঘোড়াশাল পৌরসভার প্রত্যেকটি ওয়ার্ড পাড়ায় মহল্লায় ঘুরে জানা যায় আল-মুজাহিদ (তুষার) জনপ্রীয়তার শীর্ষে আছেন। তাই যদি সব ঠিকঠাক ভাবে ভোট হয় জনগনের ভোটে তিনিই ঘোড়াশাল পৌরসভার মেয়র হতে যাচ্ছেন। আল-মুজাহিদ (তুষার) এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরে এই প্রতিবেদ করা হলো। মোঃ আল-মুজাহিদ (তুষার) তিনি ৪ঠা নভেম্বর ১৯৮০ সালে নরসিংদীর পলাশের খানেপুর মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম। পিতাঃ মৃত: মোশারফ হোসেন মাতা নেগার সুলতানা – শিক্ষা জীবন শুরু হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় , কলেজ পলাশ ইউরিয়া সারকারখানায় বাবা মোশারফ হোসেন পাকিস্থান আমলে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে কর্ম জীবনে পলাশ ইউরিয়া সারকারখানায় চাকুরির সুবাদে শ্রমিক রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন, মোশারফ সাহেব ছিলেন সৎ, ভদ্র আর্দশবান জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা তিনি একাধিকবার সারখারখানা শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ছিলেন, সভাপতি ছিলেন কয়েকবার এবং পলাশ উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতিও ছিলেন। তিনি ২০০৬ সালে মৃত্যু বরণ করার পর আল-মুজাহিদ (তুষার) লেখা পড়া শেষ করে ব্যবসা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি চরসিন্দুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী খাঁন পরিবারের ইউনিয়ন  পরিষদের সাবেক জনপ্রিয় স্বনামধন্য সফল ২ মেয়াদের চেয়ারম্যান, মৃত তারা মিয়া খাঁন এর দৌহিত্র । চরসিন্দুর ইউনিয়নের  সাবেক ২ বারের সফল চেয়ারম্যান পলাশ উপজেলার সাবেক এম.পি কামরুল আশ্রাফ খাঁন এবং সাবেক ও বর্তমান এমপি ডাঃ আনোয়ারুল আশ্রাফ খাঁন ও বিশিষ্ট শিল্পপতি ইফতেখায়রুল ইসলাম লিটন খাঁন এর ভাগিনা।

তিনি ব্যবসায়ীক জীবনে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন এর পরিচালক হন কয়েকবার বর্তমানসহ। এছাড়া নরসিংদী চেম্বার অব কর্মাস এর পরিচালক। ১৯৯৬ ইং এ বাবার আর্দশকে সামনে রেখে পলাশ উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। মেধা শ্রম দিয়ে পলাশ উপজেলা ছাত্রলীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন, তিনি পলাশ উপজেলা প্রত্যেকটি সংসদ নির্বাচনে, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের জয়লাভ করার জন্য বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে জয় লাভ করেন। বিরোদী দল থাকাকালীন সময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যান নির্বীকভাবে এবং সফলতাও অর্জন করেন।পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক কৌশল মেধা যোগ্যতায় পলাশ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক পদে ২০১৭ সালে নির্বাচিত হন। তার রয়েছে বিশাল জনপ্রিয়তা ও কর্মী সমর্থক। পলাশ উপজেলায় শিক্ষা ব্যবস্থায় তার অবদান স্মরণিয় তিনি চরসিন্দুর কলেজের বিদ্যুৎসায়ী সদস্য এবং খানেপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুই মেয়াদের সভাপতি হিসেবে স্কুলের সকল অনিয়ম দুর করে স্কুলে শিক্ষার মান বাড়ানোর জন্য আলাদা আলাদাভাবে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিবাবকদের সাথে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিয়ে নৈশ্য কালিন কোচিং চালু করেন বিনা বেতনে। মেধাবী ও ভাল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পুরষ্কার এর ব্যবস্থা করেছে ছাত্রদের স্কুলের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত ও মনিটরিং এর জন্য সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করেছে। বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতায় ভাল ভাল পুরষ্কার এর ব্যবস্থা করেছে। শিক্ষা, গল্প, কবিতা, খেলা ধুলার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করেছে। শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শিক্ষার মনোযোগী করার জন্য শিক্ষকদের ও পুরষ্কার এর ব্যবস্থা করেছে। তিনি বলেন শিশুদের শিক্ষায় প্রধান হচ্ছে বাবা, মা তাদের ভাল ভাবে মনোযোগী হওয়া দরকার পিতা, মাতা সচেতন নয় তাই শিক্ষা ব্যবস্থা বেশী শিক্ষকদের উপর ন্যস্ত থাকে। তিনি মত প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশে বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সব চাহিদা মিটিয়ে পাশা পাশি কর্মমুখী করে গড়ে তোলার জন্য বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য কারীগরি প্রশিক্ষন ও ভোকেশনাল ব্যবস্থা চালু করার জন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সামাজিকভাবে তার অবদান স্মরনিয় তিনি পলাশ উপজেলা ফ্র্রেন্স জাগরনী সংস্থার সভাপতি ইহা একটি খেলাধুলা বিষয়ক সংগঠন যাহা দেশ বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে এবং পলাশ ক্লাবের সভাপতি। ক্রিয়া অঙ্গের রয়েছে তার বহু অবদান এবং সুনাম ও পরিচিতি তিনি পলাশ উপজেলা ক্রিয়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক। তার নিজস্ব অর্থায়নে রয়েছে পলাশে সুলতানা সেলাই প্রক্ষিক্ষণ প্রকল্প এর মাধ্যমে বিনা মূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয় বহু বছর যাবত। তিনি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ মন্দির রাস্তাঘাট করেছেন নিজের অর্থায়নে উন্নয়ন করেছেন। তার উন্নয়নের অবদানে গরীব, অসহায়  রুগ্ন ব্যক্তিদের চিকিৎসা, লেখা পড়া বিয়ে-শাদী অর্থ ও নগদ টাকা দানের সুনাম আছে, পলাশ উপজেলার রয়েছে সমাজ সেবক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিশাল পরিচিতিও জনপ্রিয়তা, পলাশ উপজেলা আওমীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী সমর্থকরা জানান,  ভবিষ্যৎ উপজেলা ও মেয়র নির্বাচন করলে বিজয় লাভ করবেন অনায়াসে। স্বভাবগতভাবে তিনি মিষ্টিভাশি, নম্র, ভদ্র, অমায়িক ও মেধাবী। তিনি মাদক সংস্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাধী যুবক।করোনা কালীন সময় থেকে এ পর্যন্ত তিনি প্রায় পাচঁ হাজার লোককে খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন। আল-মুজাহিদ(তুষার) প্রতিবেদককে জানান আগামী ২ তারিখে ঘোড়াশাল পৌসভার জনগনের ভোটের মাধ্যমে শত ভাগ নিশ্চিত আমি মেয়র হতে যাচ্ছি। নৌকার বিজয় হবে ইনসাহ আল্লাহ। তৃনমূল বিজয় হবে। আর পর্দার আড়ালে যারা কলকাঠি নাড়ছেন তারা সফল হবেন না হেরে যাবেন।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

Add

© All rights reserved © 2017 AjKaal24.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com