মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১২:৫৫ অপরাহ্ন

শহীদ ময়েজউদ্দিন-এর ৩৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী

মোঃ আমজাদ খান (লেখক)
  • আপডেট : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬:১৭ pm

যে নিজেকে পানি দিয়ে ভেজায়,
সে কাপড় বদলায়।
যে নিজেকে ঘাম দিয়ে ভেজায়,
সে ভাগ্য বদলায়।
যে নিজেকে রক্ত দিয়ে ভেজায়
সে ইতিহাস বদলায়।
(ইবনুল আরাবী)

দেশের স্বাধীনতা অর্জন ও রক্ষার জন্য এবং ধাপে ধাপে মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার রক্ষার জন্য যারা নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে আমাদেরকে ঋণী করে গেছেন, দেশের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন, তাদের ক্ষেত্রেই ইবনুল আরাবী’র উপরোক্ত মন্তব্যটি প্রযোজ্য, শহীদ ময়েজউদ্দিন তাঁদেরই একজন।

১৯৩০ সালের ১৭-ই মার্চ গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার মোক্তারপুর ইউনিয়নের বড়হরা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে শহীদ ময়েজউদ্দিনের জন্ম। কালীগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৪৮ সালে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৫০ সালে আই.এ, ১৯৫৩ সালে অনার্স, রাষ্ট্রবিজ্ঞান (ঢা.বি) ও ১৯৫৫ সালে এম. এ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৫৬ সালে সি.এস.পি. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও চাকুরিতে যোগদান করেন নাই। ১৯৬০ সালে (ঢা.বি) থেকে এল.এল.বি. ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন দিয়েই ময়েজউদ্দিনের রাজনৈতিক জীবন শুরু ও বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য। ১৯৬২ – ৬৩ সালে শহীদ ময়েজউদ্দিন ঢাকা পৌরসভার অধীনে কমলাপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রথমে মৌলিক গণতন্ত্রী (বেসিক ডেমোক্র্যাট) মেম্বার পরে তিনি এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ ও উহার অঙ্গসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক তৎপরতায় ব্যাপক সহযোগিতা করেন। ১৯৬৮ সালে তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে। তখন শহীদ ময়েজউদ্দিন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পরিচালনা করার জন্য গঠিত ‘মুজিব তহবিল’ এর আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ শহীদ ময়েজউদ্দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন – “৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু যখন বাঙ্গালির মুক্তিসনদ ছয় দফা দিলেন, আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি ছিলাম, সেদিনই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার (তথাকথিত) আসামী হিসাবে বঙ্গবন্ধুকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হল। তারপর আমরা যে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছিলাম তার পুরোভাগে ছিলেন ময়েজউদ্দিন ভাই।”
শহীদ ময়েজউদ্দিন ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানায় নিজ নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে খন্দকার মোশতাক আহমেদ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদকে সরিয়ে দিয়ে তাঁর জায়গা দখল এবং আওয়ামীলীগ নেতৃত্বের প্রধান অবস্থানে এসে পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর নেতৃত্বের সঙ্গে আপোস করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে সরে এসে সবকিছু ভন্ডুল করতে চেয়েছিল। খন্দকার মোশতাক দলের তৎকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির সভার আয়োজন করেন কলকাতার থিয়েটার রোডের মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় ভবনের ছাদে। সেই সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের ভোটাভোটির জন্য ডিভিশন চাওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। তখন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সত্তরের নির্বাচিত প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন চিৎকার করে বক্তৃতা দিলেন – “কোন ডিভিশন নয়, কিসের ডিভিশন, মুক্তিযুদ্ধে যে কোন মূল্যে দলের অবস্থান যা আছে তা-ই থাকবে, কোন নতুন নেতৃত্বের প্রশ্নই উঠে না।” ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে খুনিচক্র খন্দকার মোশতাককে ক্ষমতায় বসায়। এরপর মোশতাক সংসদ সদস্যদের সভা ডেকে ঘাতকদের সব অপকর্মের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেই সভায়ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন সবাইকে হতবাক করে চিৎকার করে বলেছিলেন – “খন্দকার মোশতাক আহম্মেদ অবৈধ প্রেসিডেন্ট, তার কোন নেতৃত্ব মানি না, সে খুনি, ষড়যন্ত্রকারী। আওয়ামীলীগ তার কোন নেতৃত্ব মানতে পারে না।” তিনি যখন এই বক্তব্য দেন তখন বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীরা অস্ত্রহাতে পেছনের সারিতে দাঁড়ানো। বলার অপেক্ষা রাখে না সেই মূহুর্তে তাঁর মৃত্যুর ঝুঁকি ছিল শতভাগ। কিন্তু তিনি ছিলেন অবিচল। বক্তব্য শেষ করে অস্ত্রধারীদের ভয়ে তিনি বাসায় না ফিরে কয়েক দিনের জন্য গা ঢাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

১৯৬৯ সালের ঘটনা। জেনারেল আইয়ুব খানের আহ্বানে পূর্ব বাংলার নেতৃস্থানীয় কয়েকজন পশ্চিম পাকিস্তানে যান রাউন্ড টেবিল কনফারেন্সে যোগদান করার জন্য। তাঁদের মধ্যে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ মূহুর্তে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ জনাব ময়েজউদ্দিনকে বললেন, তুমি লাহোর থেকে আজই করাচী দিয়ে দেশে গিয়ে এই চিরকুটটি বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নিকট পৌঁছিয়ে দিবে এবং বলবে তিনি যেন অতিসত্ত¡র জেলখানায় বঙ্গবন্ধুর নিকট চিরকুটটি পৌঁছিয়ে দেন। তখনই তিনি দেশে রওয়ানা হয়ে গেলেন। ঢাকা কমলাপুর এসেই বেবীটেক্সী যোগে তিনি বেগম মুজিবের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যান। এই হলো শহীদ ময়েজউদ্দিন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর বেকুসুর খালাসের পর লাহোর গোলটেবিল বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর সফর সঙ্গী হিসেবে যে দশ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন শহীদ ময়েজউদ্দিন ছিলেন তাঁদের মধ্যে একজন।

ময়েজউদ্দিন ১৯৭৭ সাল থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। একাধারে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি এফ.পি.এ. বি-র মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। IPPF সহ IOR-র সদস্য ছিলেন। Rexeo-র প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। যে মাতৃ মৃত্যু ও শিশু মৃত্যু নিয়ে জাতিসংঘ তথা সমগ্র বিশ্বে আজ ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ’৮০র দশকেই এব্যাপারে তিনি ছিলেন সোচ্চার। তখনই তিনি কালিগঞ্জে নিজ জায়গায় ৩টি মাতৃ সদন স্থাপন করে গেছেন। ঐ একই সময়ে সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া শহীদ ময়েজউদ্দিন বহুশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। সমাজসেবক হিসেবে পৃথিবীর বহুদেশে সভা-সেমিনার এবং সম্মেলনে যোগদান করেছেন তিনি। এর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, মালদ্বীপ ইন্দোনেশিয়া, সৌদী আরব, জর্দান, মালয়েশিয়া, বার্মা, শ্রীলংকা, সিঙ্গাপুর, সোভিয়েত ইউনিয়ন, সুইজারল্যান্ড, রুমানিয়া, কেনিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক, ইরান, কুয়েত, কাতার, চীন, জাপান ও ফিলিপাইন উল্লেখযোগ্য।

১৯৮২ সালে সামরিক বাহিনী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করলে দেশব্যাপী প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ধীরে ধীরে রাজপথে আন্দোলন বেগবান হতে থাকে। ধাপে ধাপে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন প্রবল গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও নির্দেশে রাজধানীর রাজপথ থেকে কালীগঞ্জের রাজপথে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে থাকেন শহীদ ময়েজউদ্দিন। কালীগঞ্জে সামরিক শাসকের দোসররা ততদিনে উপলব্দি করতে থাকে যে, ময়েজউদ্দিনের উপস্থিতিতে কালীগঞ্জের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়। কালীগঞ্জের ক্ষমতায় আসার জন্য সামরিক শাসকের সাথে ময়েজউদ্দিনকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দিশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শরীক হওয়ার জন্য ময়েজউদ্দিন নিজ নির্বাচনী এলাকা গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জে চলে যান। ১৯৮৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। সমগ্র দেশব্যাপী ২২ দল আহুত হরতাল চলছে। কালীগঞ্জে ময়েজউদ্দিনের নেতৃত্বে মিছিল বের হয়। আর তখনই ¯ৈ^রশাসকের লেলিয়ে দেওয়া আজম খান ও তার পালিত সন্ত্রাসী তাঁর উপর হামলা চালালে ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন। কালীগঞ্জের রাজপথ তাঁর পবিত্র রক্তে রঞ্জিত হয়। শহীদ ময়েজউদ্দিনের এই হত্যকান্ড সারাদেশে দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়ে। দেশ-বিদেশে তাঁর হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। প্রবল আন্দোলনের মুখে ১৯৮৫ সালে ০৫ আগস্ট ঢাকা জজ কোর্ট থেকে খুনিদের যাবৎ জীবন কারাদন্ডের রায় ঘোষণা করা হয়। রায় ঘোষণার দিন কোর্টে শত শত উকিল এবং জনতা উপস্থিত ছিল। বাহিরে অবস্থানরত শহীদ ময়েজউদ্দিন এর ছোট ভাই কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিনের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বর্তমানে গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জনাব এস এম নজরুল ইসলাম এবং তাঁর সাথে দাঁড়ানো এ্যাডভোকেট আমিনুল হক (সার্জেন্ট জহিরুল হকের ভাই) – কে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়। বোমাটি জজ কোর্টের পিলারে লেগে নিচে পরে যায় এবং রায় শুনতে আসা শহীদ ময়েজউদ্দিনের বিশেষ ভক্ত পিরোজপুর রেড ক্রিসেন্ট এর ইউনিট সেক্রেটারী ধীরেনবাবুর হাটু থেকে দুই পায়ের নিচ পর্যন্ত সম্পূর্ণ উড়ে যায়। আজম গংদের ছোড়া ঐ বোমা হামলারও কোন বিচার হয়নি আজও। খুনীদের বাঁচাতে স্বৈরাচার এরশাদ সরকার বিচারকে প্রহশনে পরিণত করে। আদালতের দণ্ড খুনিরা যদি এড়াতে পারলেও মানুষের ঘৃনা ও ধিক্কারের দণ্ড এরা এড়াতে পারবে না। সেই ধিক্কারের আগুনে পুড়ে পুড়েই এদের অভিশপ্ত জীবন একদিন শেষ হবে। তবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ময়েজউদ্দিনের আত্মদান ধীরে ধীরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামকে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। শহীদ ময়েজউদ্দিনের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে ধাপে ধাপে গড়ে ওঠা প্রবল গণআন্দোলন অবশেষে সামরিক শাসকের পতনকে অনিবার্য করে তোলে। গণতন্ত্রের জয় হয়।

কালীগঞ্জের সাধারণ মানুষের নিকট তিনি গণমানুষের নেতা হিসেবে সর্বত্র পরিচিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর রচিত গ্রন্থ “শেখ মুজিব আমার পিতা” এর পৃষ্ঠা ১০৮-এ লিখেছেন ‘ময়েজউদ্দিন, তিতাস, রমিজ, বাসুনিয়া, চন্নু এমনি হাজার আত্মাহুতির প্রয়োজন হলো গণতন্ত্রের জন্য অধিকারের লড়াইয়ে।’ গণতন্ত্রের জন্য জীবন দেয়া শহীদ ময়েজউদ্দিনের কথা স্মরণ রেখেই হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ময়েজউদ্দিন কন্যা মেহের আফরোজ চুমকীকে ১৯৯৬ সালে গাজীপুর-নরসিংদী জেলার সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনীত করেছিলেন। পরবর্তীতে নিষ্ঠা, সততা, কর্মদক্ষতা যোগ্যতা ও দূরদর্শিতার কারণে তিনি পর পর তিন বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং দুই বার দক্ষতার সাথে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শহীদ ময়েজউদ্দিন এর ৩৩তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কালীগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে উল্লেখ করেন ’৭৫ পরবর্তী রাজনীতিতে যখন আওয়ামীলীগের অনেক নেতারা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে পিছু হটেছিলেন, তখন অসীম সাহসিকতার সাথে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা করে গেছেন শহীদ ময়েজউদ্দিন।

“কালীগঞ্জের রাজনীতিতে শহীদ ময়েজউদ্দিন এর মত নির্ভীক দেশপ্রেমিক আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না।” (সাবেক এম.এল.এ ফয়জোর রহমান খান ১৯৫৪, কালীগঞ্জ, গাজীপুর)

তাই আজ ৩৭তম শাহাদৎ বার্ষিকীতে শহীদ ময়েজউদ্দিনসহ সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

(মোঃ আমজাদ খান (লেখক), সহকারী অধ্যাপক, বাংলাদেশ নৌবাহিনী কলেজ ঢাকা)।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2017 AjKaal24.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com