বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি :

নিউজ পোর্টাল ও আইপি টেলিভিশন  আজকাল২৪.কম-এ ঢাকা সিটির প্রতি থানা ও সারেদেশে "রিপোর্টার/সংবাদদাতা" নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন aajkaalbd@gmail.com

ঈদে মাওয়া ও পাটুরিয়া নৌপথে ঘড়মুখো মানুষ ভোগান্তি হবে না

ঈদে মাওয়া ও পাটুরিয়া নৌপথে ঘড়মুখো মানুষ ভোগান্তি হবে না

আসন্ন ঈদুল-আযাহারে সময় মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে ঘরমুখো মানুষের কোন ভোগান্তি শিকার হবে না।

সংশ্লিস্ট প্রকৌশলীরা বলেছেন, গত ১৫ এপ্রিল হতে ৩১ জুলাই পর্যন্ত শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ফেরী রুটে ড্রেজিং করে বাই-পাস চ্যানেল চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ৭টি ড্রেজার ড্রেজিং কাজে নিয়োজিত আছে। নাব্যতা সংকটে চ্যানেল কখনও বন্ধ হয়নি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ( বিআইডব্লিউটিএ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) ছাইদুর রহমান বলেছেন, ‘নাবতা সংকটে চ্যানেল কখনও বন্ধ হয়নি। নিষ্টা ও সততার সঙ্গে ড্রেজিং করার পর বাই পাস চ্যানেলের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ ফুট এবং প্রস্থ হয় প্রায় ২০০ ফুট করা হয়েছে।

বর্তমানে সর্বনিম্ন পানি রয়েছে ১২ ফুট এবং নির্বিধঘ্নে ফেরী চলাচল করছে। আশা করা যাচ্ছে আসন্ন ঈদুল-আযহার সময় নাব্যতা সংকটে ঘরমুখো মানুষের কোন ভোগান্তির শিকার হতে হবে না বলে তিনি জানান।

এছাড়া বর্তমানে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি রুটে ৩ টি ড্রেজার ড্রেজার মোতায়েন করে রাখা হয়েছে। এরুটেও ১২ থেকে ১৩ ফুট পানি রয়েছে। ফেরি বা লঞ্চ চলাচলে কোন সমস্যা হবে না বলে তিনি জানান। ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং বিভাগ।

ঈদের আগে ও পরে সার্বক্ষণিক ফেরি ও নৌযান চলাচল করতে পারে সে লক্ষে বিআইডব্লিটিএ এই কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে সংশ্লিস্ট প্রকৌশলীরা জানান।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ প্রধান প্রকৌশলী ( ড্রেজিং) মো. আব্দুর মতিন বলেন, ‘মাওয়া-শিমুলিয়া-কাওরাকান্দি এবং দৌলাদিয়া-পাটুরিয়া ফেরী ও লঞ্চ রুটের নদী সচল রয়েছে। আসন্ন ঈদে এই দুই প্রধান নদী পারাপার পথে যাত্রীদের কোনো ভোগান্তি হবে না’ ।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, লৌহজং চ্যানেলের ¯্রােত বেশী থাকায় বিআইডব্লিউটিসি’র ফেরীসমূহের স্বক্ষমতা কম থাকায় লৌহজং চ্যানেল দিয়ে ফেরীসমূহ শিমুলিয়া হতে কাঁঠালবাড়ী উঠতে পারছেনা, কিন্তু লঞ্চসমূহ চলাচল করছে।

এ বিষয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিইজিআইএস সূত্র জানায়, লৌহজং চ্যানেল এমুহুর্তে ড্রেজিং না করে বরং লৌহজং চ্যানেলের মুখে মাটি ফেলে বন্ধ করে দিতে পারলে বিকল্প চ্যানেলের স্থায়ীত্ব আরও বেশী হবে। বর্তমানে বাই-পাস চ্যানেল দিয়ে নির্বিঘেœ ফেরী চলাচল করছে। বাই পাস চ্যানেলের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ ফুট এবং প্রস্থ ২০০ ফুট।

আশা করা যাচ্ছে আসন্ন ঈদুল-আযহা এবং ১৫ আগষ্টের সময় নাব্যতা সংকটে ঘরমুখো মানুষের কোন ভোগান্তির শিকার হতে হবে না। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পানির স্রোত কমলে লৌহজং চ্যানেল খনন করার পরামর্শ দিয়েছেন।

ড্রেজিং শুরুর পূর্বে বিআইডব্লিউটিএ’র হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ তাদের অভিজ্ঞ জনবলের মাধ্যমে ইকো-সাউন্ডার দ্বারা হাইটেক সফটওয়্যার ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে হাইড্রোগ্রাফি জরিপ করেন। জরিপ ডাটা আর্কাইবে সংরক্ষিত থাকে, এই ডাটা যে কেউ যে কোন সময় সংগ্রহ করে পরীক্ষা করতে পারবে বলে হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ সূত্র জানায় ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 AjKaal24.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com