বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯, ০৭:৩২ অপরাহ্ন

দৃঢ় মনোবলের কারণেই দ্রুত সুস্থ হন ওবায়দুল কাদের

দৃঢ় মনোবলের কারণেই দ্রুত সুস্থ হন ওবায়দুল কাদের

বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে গত ৩রা মার্চ যখন হাসপাতালে ভর্তি হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তখন প্রতিটা মুহূর্তে তার শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত জটিল। জ্ঞান ফেরার পর তিনি মানসিকভাবে একটুও ভেঙে পড়েননি। ওবায়দুল কাদেরের দৃঢ় মনোবলই তাকে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। ওবায়দুল কাদেরকে কাছে থেকে দেখা চিকিৎসক ডাক্তার আবু নাসার রিজভী এসব কথা জানিয়েছেন ডিবিসি নিউজকে।

ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিত। দলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে যিনি সবসময় ছুটে বেড়ান কেন্দ্র থেকে তৃণমূলে। একই সাথে, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নেও তিনি নিরলস পরিশ্রমী।

এই মানুষটি গত ৩রা মার্চ সকালে হঠাৎ করেই বুকে ব্যথা অনুভব করেন। সাথে সাথেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করান পারিবারিক বন্ধু ও চিকিৎসক ডা. আবু নাসার রিজভী।

তিনি বলেন, উনাকে আইসিইউতে শোয়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমার কানে উনার স্ত্রী এবং কার্ডিওলজির প্রফেসরের চিৎকার কানে আসলো। কার্ডিওলজির যে প্রফেসর ছিলেন উনি বলে উঠলেন যে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হইছে। তখনই আমরা উনাকে পাম্পিং করা শুরু করি। তবে এই অ্যারেস্টটা যদি পাঁচটা মিনিট আগে গাড়িতে হতো, তাহলে আমাদের কিছুই করার থাকতো না। প্রথম দুইটা দিনের প্রত্যেকটা মোমেন্টই আমাদের খুবই টেনশন ছিল।

বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবি শেঠির পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৪ঠা মার্চ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হয় ওবায়দুল কাদেরকে। ২০ শে মার্চ ডা. সিবাস্টিন কুমারাস্বামীর অধীনে বাইপাস সার্জারি হয় ওবায়দুল কাদেরের।

ডা. রিজভী জানান, সবসময়ই মনোবল অটুট ছিল তার। তিনি বলেন, উনাকে অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি একটুও নার্ভাস দেখি নাই। এতো বড় একটা অ্যাক্সিডেন্টের পর আবার বাইপাস সার্জারি করা হলো, উনাকে কখনো একবারের জন্য ভেঙ্গে পড়তে দেখি নাই আমি।

অবশেষে নতুন জীবন লাভ করে ২ মাস ১০ দিন পর দেশে ফেরেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। খুব শিগগিরই তিনি কাজ শুরু করতে পারবেন নতুন উদ্যমে এমনটাই প্রত্যাশা সবার।


© All rights reserved © 2017 AjKaal24.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com