মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯, ০১:০৫ অপরাহ্ন

‘মামলার নিস্পত্তি হলেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান’

‘মামলার নিস্পত্তি হলেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান’

উচ্চ আদালতের দশ মাসের নির্দেশনা শেষ হয়েছে গত বছরের ৫ই মে। তারপরও গুলশান- বনানী- ধানমন্ডি এলাকার আবাসিক প্লট থেকে সব অননুমোদিত বাণিজ্যিক ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কোন ভুমিকাই নেয়নি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। আবাসিক এলাকায় বানিজ্যিক কার্যক্রম বেড়েই চলছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ডিবিসি নিউজকে বলছেন উচ্চ আদালতে মামলা নিস্পত্তি হলেই অভিযান শুরু হবে।

২০১৬ সালের ১লা জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনার পর আবাসিক এলাকায় অনুমোদনহীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান না রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপরই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গুলশান, বনানী ও বারিধারাসহ ঢাকা উত্তরের আবাসিক এলাকায় ৫৫২টি প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, যার মধ্যে রেস্তোরাঁ, হোটেল, স্কুল-কলেজ ও হাসপাতাল রয়েছে।

অভিযান শুরুর পরই বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে ২০১৭ সালের ৫ই জুলাই গুলশান, বনানী ও ধানমণ্ডি এলাকার সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ১০ মাসের মধ্যে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশনার সময়সীমা পার হয়েছে গত বছরের ৫ই মে। কিন্তু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরেনি। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী বললেন আবাসিক এলাকার বৈশিষ্ট ফিরিয়ে আনা হবে, তবে মামলাগুলো নিস্পত্তি হলেই শুরু হবে কার্যক্রম।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম বলেন, ‘একটা বাণিজ্যিক অনুমোদন পাওয়ার প্রেক্ষিতে অন্যরা যখন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড শুরু করে, তখন তাদেরকে নিভৃত করা কঠিন হয়ে যায়। আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে একটু স্থিমিত অবস্থায় আছে। মামলাগুলো নিষ্পত্তি করে আমরা আবার পুর্নউদ্যোমে শুরু করবো। গুলশান, বনানীসহ নিরঙ্কুশ আবাসিক এলাকায় কোনওভাবে বাণিজ্যিক কোনও স্থাপনা থাকবে না।’

গুলশান বনানী বারিধারাসহ কূটনৈতিক এলাকায় রাজনৈতিক কার্যালয়ও সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেয় হবে, জানালেন মন্ত্রী। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘কোনোভাবে আবাসিক এলাকায় রাজনৈতিক কার্যালয় থাকাটা শোভন নয়। কারণ সেখানে অধিক সংখ্যক লোক যান, নেতাকর্মীদের স্লোগান হয়, যখন তখন গাড়ি আসে। সর্বপরি আবাসিক পরিবেশের যে বৈশিষ্ট সেটা থাকে না। সে জন্য আমরা সকলকে অনুরোধ করবো। যদি তারা অনুরোধে রাজি হন আমরা খুশি হবো। আর রাজি না হলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আমরা আবাসিক এলাকার যে বৈশিষ্ট সেখানেই ফিরিয়ে নেব।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 AjKaal24.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com